শিরোনাম :
কাজ শেষ হওয়ার আগেই ১০ কোটি টাকার বিল পকেটস্থ আকরাম খানের প্রোটেস্টার লিমিটেডের! কুড়িগ্রামে ২ কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হাজারীবাগে ওএমএস পণ্য গুদামে, এআরও কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ ফোনে ডাটা না থাকলেও কি ফ্রিতে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ? যা জানা গেল তারারদেশ লিমিটেড পরিদর্শনে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল বগুড়ায় সপ্তস্বর শিল্পীগোষ্ঠীর ২৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কালীগঞ্জের শিবির কর্মী শামীম হত্যা মামলার আসামী ইমরান আলম এখন মহেশপুর থানার ওসি শিবগঞ্জে ৮ মাসে ৫ বিয়ে করা স্বামীর বর্বরতা: গৃহবধূকে পিটিয়ে ও চাকু দিয়ে হাত কেটে জখম, থানায় অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ ভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চাউলে মিললো বি-ষা-ক্ত উপাদান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামে ২ কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রিটন ইসলাম / ২৩ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

কুড়িগ্রামে ২ কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদন 

কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে সরকারি চাল ও ধান মজুতে অনিয়মসহ দুই কোটি টাকার অধিক মূল্যের খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে জেলার চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুড়িগ্রামের উপসহকারী প‌রিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধু‌রী বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সিনিয়র জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শরীফ আহমেদ, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম এলএসডির সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. হালিমুর রহমান ও কুড়িগ্রামের ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ হামিদুল হককে।

সালমান এফ রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুড়িগ্রামের উপসহকারী প‌রিচালক মো. মিজানুর রহমান চৌধু‌রী। তিনি বলেন, কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে অভিযানে বড় ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে অনিয়মে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে কমিশন বরাবর সুপারিশ পাঠানো হয়। কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে আজ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগে করা হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহের নথি পর্যালোচনা এবং বাস্তব মজুত যাচাইয়ে বিভিন্ন অসংগতি পাওয়া যায়। এর মধ্যে নথিতে থাকা চালের সঙ্গে বাস্তব মজুতের ঘাটতি, সংগ্রহ করা ধানের হিসাবের অসংগতি এবং বিল পরিশোধের পরও গুদামে না পাওয়া ধানের বিষয় রয়েছে। এজাহারে বলা হয়, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট দল কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামের শিশু নিকেতন ও খলিলগঞ্জ ব্লকে অভিযান চালায়। এ সময় খামাল কার্ড, গুদাম রেজিস্টার, সেন্ট্রাল লেজার ও গুদাম লেজারের তথ্যের সঙ্গে বাস্তব মজুত মিলিয়ে দেখা হয়। এতে নথিভুক্ত মজুতের তুলনায় ৪২ দশমিক ২০৫ মেট্রিক টন চাল কম পাওয়া যায়। প্রতি মেট্রিক টন চালের মূল্য ৫৮ হাজার ৩১৮ টাকা ৯৮ পয়সা হিসাবে এর মূল্য দাঁড়ায় ২৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৫২ টাকা।

এছাড়াও খলিলগঞ্জ ব্লকের টিএফএস-৭ নম্বর গুদামে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৭১১ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের তথ্য নথিতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২৪০ মেট্রিক টন ধানের বিল পরিশোধের তথ্য ছিল। যাচাইয়ে ১৯০ মেট্রিক টন ধান গুদামে পাওয়া গেলেও বাকি ৫০ মেট্রিক টনের সন্ধান মেলেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর