শিরোনাম :
কাজ শেষ হওয়ার আগেই ১০ কোটি টাকার বিল পকেটস্থ আকরাম খানের প্রোটেস্টার লিমিটেডের! কুড়িগ্রামে ২ কোটি টাকার খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগে ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হাজারীবাগে ওএমএস পণ্য গুদামে, এআরও কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ ফোনে ডাটা না থাকলেও কি ফ্রিতে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ? যা জানা গেল তারারদেশ লিমিটেড পরিদর্শনে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল বগুড়ায় সপ্তস্বর শিল্পীগোষ্ঠীর ২৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কালীগঞ্জের শিবির কর্মী শামীম হত্যা মামলার আসামী ইমরান আলম এখন মহেশপুর থানার ওসি শিবগঞ্জে ৮ মাসে ৫ বিয়ে করা স্বামীর বর্বরতা: গৃহবধূকে পিটিয়ে ও চাকু দিয়ে হাত কেটে জখম, থানায় অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ ভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চাউলে মিললো বি-ষা-ক্ত উপাদান
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

কাজ শেষ হওয়ার আগেই ১০ কোটি টাকার বিল পকেটস্থ আকরাম খানের প্রোটেস্টার লিমিটেডের!

রিটন ইসলাম / ১২ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

কাজ শেষ হওয়ার আগেই ১০ কোটি টাকার বিল পকেটস্থ আকরাম খানের প্রোটেস্টার লিমিটেডের!

নিউস ডেক্সট –

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সড়কবাতি প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই এবং ভৌত অগ্রগতি অত্যন্ত কম থাকা সত্ত্বেও প্রোটেস্টার লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এক লাফে ১০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বিলের ফাইলে স্বাক্ষর করে দিয়েছে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।

 

ভ্যাট ও আয়কর বাদে নিট ৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা ইতিমধ্যে যমুনা ব্যাংক পিএলসির উত্তরা শাখার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধও করা হয়েছে। প্রোটেস্টার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান।

 

অভিজ্ঞতার শর্ত লঙ্ঘন: দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী সফলভাবে কাজ শেষের পূর্বের অভিজ্ঞতা থাকার কথা থাকলেও, প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) একটি চলমান ও অসম্পন্ন কাজের সনদ দেখিয়ে কার্যাদেশ বাগিয়ে নেয়।

 

অগ্রগতি নামমাত্র: অঞ্চল-৫-এর একটি প্রকল্পে কাজের ভৌত অগ্রগতি মাত্র ২৯ শতাংশ দেখানো হলেও প্রথম ও চলতি বিল বাবদ ৬ কোটির বেশি টাকা ছাড় দেওয়া হয়।

 

মালামাল ছাড়াই বিল: নিয়ম অনুযায়ী মালামাল শতভাগ বুঝে পাওয়ার কথা থাকলেও, গুদাম বা জায়গা না থাকার অজুহাতে ঠিকাদারের হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই বিল পরিশোধ করা হয়েছে। ডিএনসিসি কর্মকর্তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঠিকাদারের হেফাজতে মালামাল রাখার কোনো লিখিত অনুমতিপত্রও ছিল না।

 

এক পদে দুই কর্মকর্তা: নিয়মের তোয়াক্কা না করে একটিমাত্র পদের বিপরীতে প্রায় পাঁচ বছর ধরে দুজন প্রকৌশলীকে অতিরিক্ত দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে।

 

সপরিবারে বিলাসবহুল চীন সফর: সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ‘ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্ট’-এর নামে ডিএনসিসি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের ১০ জন কর্মকর্তার বিদেশ সফরের অনুমোদন নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যসহ মোট ২২ জন চীন ভ্রমণ করেন।

 

পুরো বিষয়টি নিয়ে ডিএনসিসির শীর্ষ কর্তারা গণমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজি না হলেও, প্রোটেস্টার লিমিটেডের এমডি আকরাম খানের দাবি—কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি এবং নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় মালামাল তাদের তত্ত্বাবধানে রেখেই নিয়মমাফিক প্রথম বিহুম নেওয়া হয়েছে।

ফাস্টপোষ্ট ডট অনলাইন 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর