কালোবাজারিকে বাঁচাতে ওসি মাহবুবের তালবাহানা।
স্টাফ রিপোর্টার
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় সরকারি সি এস ডি গোডাউনের পিছনে ৩২ নম্বর গেট সংলগ্ন বিপুল পরিমাণ সরকারি চাউল গুদামজাতের সন্ধান পাওয়া গেছে।। গত মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার পুলিশ ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক এ অবৈধ গোডাউনে অভিযান চালান। গোডাউনের কর্মচারীদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন এগুলো পুলিশের কাছ থেকে কিনে আনা হয়েছে। বস্তা পাল্টিয়ে অন্য ব্রান্ডের বস্তায় পরিবর্তনের কথা জিজ্ঞেস করলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। এ সময় দেখা যায় সরকারের চাউলের বস্তা থেকে নুরজাহান নামক কোম্পানির বস্তা ও আপেল মার্কা গুটিসর্ণা নামক কোম্পানির বস্তায় চাউল প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। কাগজপত্র চাইলে কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে কালোবাজির উদ্দেশ্যেই সরকারি চাল এভাবে রিফাইন্ড করে বিক্রি করছে কিছু আসাধু ব্যবসায়ী।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার এসআই মোরশেদ ও চারজন সঙ্গীয় ফোর্স এবং বিভিন্ন পত্রিকা ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার দশ জন কোন মাধ্যম কর্মী এই অভিযানে অংশ নেন।
এ সময় এসআই মোর্শেদ অফিসার ইনচার্জকে ফোনে কথা বলে চলে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এসআই মোরশেদ বলেন বিষয়টির তথ্য আপনারা দিয়েছেন এখন আপনারাই দেখেন বলে চলে যান। পুলিশ ঘটনার সাথে ত্যাগ করার পরেই কালোবাজারিদের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা মব সৃষ্টির আশঙ্কা বুঝতে পেরে ঘটনাস্থ্য ত্যাগ করার সময় পিছন থেকে কয়েকজনকে বলতে শোনা যায় ধর সাংবাদিক শালা গো ধর। এ সময় সাংবাদিকরা নিরাপদ স্থানে এসে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে গুদাম মালিক সেলিম মুঠোফোনে বলেন, এ ব্যাপারে আপনি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলেন।
এ ব্যাপারে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার অফিসার ইনচার্জ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা যারা রেশনিং পাই তার অতিরিক্ত পণ্য বিক্রি করে দেই। আমার মাল আমি বিক্রি করে দেবো এটা আমার এখতিয়ার। সরকারি পণ্য গুদামজাত ও বস্তা পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কোন কথা বলবো না। আমাদের মিডিয়া সেলে বিষয়টি অবগত করা আছে আপনারা মিডিয়া সেলে জিজ্ঞেস করলে জানতে পারবেন।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (মিডিয়া পাবলিক রিলেশন) আক্তার হোসেন ফোনে বলেন, এ বিষয়ে ওসি আমাদের কোন অবগত করেনি। আপনাদেরকে ওসি মিথ্যা কথা বলেছেন। ওসি মনগড়া কথা বলে আপনাদের বিদায় করেছেন।
পরবর্তীতে অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
প্রতিবেদক – রিটন ইসলাম