নিজস্ব প্রতিবেদন – রিটন ইসলাম
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুই সেতু থেকে ‘খাস কালেকশনে’ ৯৫ কোটি টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে ৪২ কোটি টাকা জমা দেওয়ারউপরে বাম পাশে ফাস্ট পোষ্টের লোগো ডানপাশে ২২/১০/২০২৬৩ তারিবখ একটি সলিড কালার ফায়ার সার্ভিসে ঢাকা বিভাগের ডিজি সালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দৈনিক লাখ টাকা ষুস বাণিজ্যের অভিযোগ অভিযোগ ! মাঝখানে ব্যক্তির ছবি ঘুষের টাকার ছবি মাঝখানে ব্যক্তির ছবি
বিস্তারিত কমেন্টে একটি সুন্দর থামবেল বানিয়ে দাও অভিযোগ
বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (দোয়ারিকা) সেতু ও উজিরপুরের মেজর এম এ জলিল (শিকারপুর) সেতু থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় টোল আদায়ের সময় ‘খাস কালেকশনের’ নামে সরকারি রাজস্ব তসরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই দুই সেতু থেকে আনুমানিক ৯৫ কোটি টাকা টোল আদায় করা হলেও সরকারি কোষাগারে জমা দেখানো হয়েছে মাত্র ৪২ কোটি টাকা — বাকি প্রায় ৫৩ কোটি টাকার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব সরকারি নথিতে মেলেনি।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকৌশলী নাজমুল ইসলামের প্রত্যক্ষ নির্দেশনা ও হস্তক্ষেপে প্রতিদিন সংগৃহীত প্রকৃত টোল আয়ের বদলে নামমাত্র রাজস্ব চালানের মাধ্যমে জমা দেখানো হয়েছে। ইজারার মেয়াদ শেষের পর সওজ কর্তৃপক্ষ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে ‘খাস কালেকশন’ শুরু করে। ২০২৬ সালের ১২ মার্চ সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তিন বছরের জন্য ৮৫ কোটি টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে ইজারা অনুমোদনের সুপারিশও করেন। ১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই দুই সেতুর রাজস্ব তসরুপের অভিযোগে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং দুদকের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্যানেল গঠনের দাবি জানিয়েছে।