শিরোনাম :
হাজারীবাগে ওএমএস পণ্য গুদামে, এআরও কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ ফোনে ডাটা না থাকলেও কি ফ্রিতে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ? যা জানা গেল তারারদেশ লিমিটেড পরিদর্শনে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল বগুড়ায় সপ্তস্বর শিল্পীগোষ্ঠীর ২৪তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কালীগঞ্জের শিবির কর্মী শামীম হত্যা মামলার আসামী ইমরান আলম এখন মহেশপুর থানার ওসি শিবগঞ্জে ৮ মাসে ৫ বিয়ে করা স্বামীর বর্বরতা: গৃহবধূকে পিটিয়ে ও চাকু দিয়ে হাত কেটে জখম, থানায় অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের ট্রাফিক সিগন্যাল প্রকল্প আ.লীগ ভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চাউলে মিললো বি-ষা-ক্ত উপাদান নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুই সেতু থেকে ৯৫ কোটি টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে ৪২ কোটি টাকা জমা ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের ডিডি ছালেহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দৈনিক ১০ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন

খাদ্য তদারককারি আরিফ হোসেনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ওএমএস পণ্য কালোবাজারি।

রিটন ইসলাম / ১৬০ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

ঢাকা রেশনিং কর্মকর্তা আরিফ হোসেনের সহযোগিতায় ওএমএস পণ্য কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

রিটন ইসলামের ধারাবাহিক প্রতিবেদন | ফাস্টপোস্ট

ঢাকা রেশনিং কর্মকর্তা আরিফ হোসেনের সহযোগিতায় ডিলার মনি আক্তার লোপার বিরুদ্ধে ওএমএসের পণ্য কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ডিলার মনি আক্তার লোপার বিক্রয়কেন্দ্র ধোলাইপাড় নৌকা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। গত ১৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বল্পমূল্যে বিক্রির জন্য নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ৫০০ কেজি চাল ও ২ হাজার কেজি আটা। তবে অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত পণ্য সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি না করে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই বিক্রয়কেন্দ্র ত্যাগ করে ট্রাকটি কালোবাজারির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে খাদ্য তদারককারী ও এআরও কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাঁদের কাছ থেকে সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ৯টায় খাদ্য তদারককারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করতে হবে এবং বিকেল ৫টায় তাঁর উপস্থিতিতেই বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ ওএমএস পণ্য (চাল ও আটা) বিক্রি না হলে লেজার খাতায় অবিক্রীত পণ্যের হিসাব লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে। পরবর্তী বিক্রয় কার্যক্রমে অবিক্রীত পণ্যের হিসাব সমন্বয় করার বিধান রয়েছে।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ধোলাইপাড় নৌকা ব্রিজসংলগ্ন বিক্রয়কেন্দ্রে তদারককারী কর্মকর্তা আরিফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে ডিলার মনি আক্তার লোপা বিকেল ৫টার আগেই ওএমএসের পণ্যসহ ট্রাকটি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সরিয়ে নেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পণ্যগুলো কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, খাদ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অবহেলা কিংবা যোগসাজশ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগেই চাল ও আটাসহ ট্রাকটি কীভাবে বিক্রয়কেন্দ্র ত্যাগ করল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, ডিলার ও তদারককারী কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সরকারি ভর্তুকির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। জনগণের করের টাকায় পরিচালিত এই ভর্তুকি কর্মসূচির সুবিধা থেকে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, অসাধু কর্মকর্তা ও ডিলারদের একটি অংশ অনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

প্রতিবেদক: রিটন ইসলাম
ফাস্টপোস্ট


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর